নান্দাইল উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও উন্নত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ব্যতিক্রম এক প্রশাসনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (১ আগস্ট) বিকাল পাঁচটায় উপজেলা প্রশাসনিক হলরুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।
বিদ্যুতের সমস্যা নিয়ে নান্দাইলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সংসদ সদস্যের উদ্যোগে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক সভা অনুষ্ঠিত হলো। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে প্রি-পেইড মিটারের ওপর জোর দিয়ে বলেন, `আমরা নান্দাইল থেকেই প্রি-পেইড মিটার চালুর পাইলট প্রকল্প শুরু করতে পারি। পরবর্তীতে এই সফল মডেল আস্তে আস্তে সারা দেশের উপজেলাগুলোতে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।এতে বর্তমানে যে বিশাল অংকের বকেয়া রয়েছে তা থাকবে না।'
তিনি আরও ঘোষণা দেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সচল ও তদারকি করতে আগামীতে প্রতি ২-৩ মাস পরপর এ ধরনের সমন্বয় সভা আয়োজন করা হবে। এছাড়াও তিনিকর্মকর্তাদের উদ্দেম্য করে বলেন,যাতে কোনো দালারের মাধ্যমে গ্রহকরা হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে।
সভায় উপস্থিত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন যে, নান্দাইলের বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে বর্তমানে অতিরিক্ত ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে সংযুক্ত করা হয়েছে, যা স্থানীয় বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার পরিষদের পক্ষে আহ্বায়ক এনামুল হক বাবুল এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আলম ফরাজী গ্রাহকদের ভোগান্তি ও দাবির বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন।
সভায় নান্দাইল ও ময়মনসিংহের বিদ্যুৎ খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। উপস্থিত কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আবু রায়হান, নির্বাহী প্রকৌশলী উত্তম কুমার সেন, নান্দাইল পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. ছিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, কারিগরী বিভাগের ডিজিএম ফেরদৌস আহম্মেদ, কানুরামপুর এজিএম মো. আব্দুল্লা আল নোমান এবং নান্দাইলের এজিএম অসিম কুমার দাস।
এছাড়াও ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ বিদ্যুৎ বিভাগের গ্রিড সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পিজিসিবি ময়মনসিংহের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাসুদুল হক, পিজিসিবি কিশোরগঞ্জের সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।







