দৈনিক নিউ টাইমস-এর সাংবাদিকতার ভিত্তি হলো নির্ভুলতা, নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা। এই পৃষ্ঠায় আমরা ব্যাখ্যা করছি — আমরা কীভাবে সংবাদ সংগ্রহ করি, সূত্র যাচাই করি, সংস্থার (এজেন্সি) কনটেন্ট ব্যবহার করি এবং ভুল হলে কীভাবে তা সংশোধন করি।
সংবাদসূত্র ও যাচাইয়ের মান
- প্রতিটি প্রতিবেদন প্রকাশের আগে অন্তত একটি নির্ভরযোগ্য প্রাথমিক সূত্র (প্রত্যক্ষদর্শী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, নথি বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি) দিয়ে তথ্য যাচাই করা হয়। বিতর্কিত বা গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে একাধিক স্বাধীন সূত্র ব্যবহার করা হয়।
- সংবাদে সূত্রের পরিচয় যথাসম্ভব স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়। সূত্রের নিরাপত্তার স্বার্থে পরিচয় গোপন রাখা হলে তা সম্পাদকের অনুমোদনসাপেক্ষে হয়।
- গুজব, যাচাই-বিহীন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট বা অনুমাননির্ভর তথ্য সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা হয় না।
নিজস্ব প্রতিবেদন
ময়মনসিংহ অঞ্চলের সংবাদ আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদকেরা সরেজমিনে সংগ্রহ করেন। নিজস্ব প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের নাম ও এলাকা (যেমন: "নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ") উল্লেখ করা হয়। মতামত বা বিশ্লেষণধর্মী লেখা সংবাদ থেকে আলাদাভাবে চিহ্নিত থাকে।
সংস্থা (এজেন্সি) ও অন্য মাধ্যমের কনটেন্টের স্বীকৃতি
- জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কোনো সংবাদ যদি সংবাদ সংস্থার (যেমন: বাসস) তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি হয়, তাহলে প্রতিবেদনের সঙ্গে সূত্র স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় (যেমন: "সূত্র: বাসস")।
- সংস্থার তথ্য হুবহু প্রকাশ না করে আমাদের নিজস্ব ভাষায় পুনর্লিখন করা হয় এবং যথাসম্ভব প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপট, স্থানীয় সংশ্লিষ্টতা বা বাড়তি বিশ্লেষণ যোগ করা হয়।
- অন্য কোনো গণমাধ্যমের একান্ত প্রতিবেদনের তথ্য ব্যবহারের প্রয়োজন হলে সেই মাধ্যমের নাম কৃতজ্ঞতাসহ উল্লেখ করা হয়।
সংশোধনী নীতি
- প্রকাশিত কোনো সংবাদে তথ্যগত ভুল ধরা পড়লে যাচাই সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ে তা সংশোধন করা হয়।
- উল্লেখযোগ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের সঙ্গে সংশোধনীর নোট যুক্ত করা হয়, যাতে পাঠক জানতে পারেন কী পরিবর্তন হয়েছে।
- যেকোনো পাঠক ভুল সম্পর্কে জানাতে পারেন — ই-মেইল: dainiknewtimes26@gmail.com অথবা যোগাযোগ পৃষ্ঠার ফরমের মাধ্যমে। প্রতিটি অভিযোগ সম্পাদকীয় বিভাগ পর্যালোচনা করে।
ছবি ও মাল্টিমিডিয়া
আমরা নিজস্ব তোলা ছবি, স্বত্ব-অনুমোদিত ছবি বা যথাযথ কৃতজ্ঞতাসহ (credit) ছবি ব্যবহার করি। প্রতীকী ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তা ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়। ছবি এমনভাবে সম্পাদনা করা হয় না, যাতে ঘটনার প্রকৃত চিত্র বিকৃত হয়।
বিজ্ঞাপন ও সংবাদের পৃথকীকরণ
বিজ্ঞাপন ও সংবাদ কনটেন্ট সম্পূর্ণ আলাদা রাখা হয়। কোনো বিজ্ঞাপনদাতা আমাদের সংবাদের বিষয়বস্তু বা সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে না। স্পনসরড বা বিজ্ঞাপনী কনটেন্ট থাকলে তা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়।
নৈতিক মানদণ্ড
- ভুক্তভোগী, শিশু ও সংবেদনশীল ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশে আইন ও নৈতিকতা মেনে চলা হয়।
- অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়; না পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকে।
- ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা সম্প্রদায়ভিত্তিক বিদ্বেষ ছড়ায় — এমন কোনো কনটেন্ট প্রকাশ করা হয় না।