নিরাপদ অভিবাসন ও প্রবাসীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার জেলা পর্যায়ে অভিবাসন সমন্বয় কমিটি গঠন করে কার্যক্রম শুরু করেছে। এ কর্মসূচির আওতায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের সন্মেলন কক্ষে সোমবার জেলা কমিটির অভিবাসন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডিএমসিসির সভায় ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মোহাম্মদ গোলাম মাসুম প্রধান সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক লেহাজ উদ্দিন, প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের আশরাফুল ইসলাম, প্রবাসী ব্যাংকের ম্যানেজার কামরুল ইসলাম ও পুলিশ পরিদর্শক নিজামুল হকসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।
সভায় কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে ময়মনসিংহ জেলায় অভিবাসন ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি, অভিবাসন প্রত্যাশীদের সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান এবং বিদেশ ফেরত অভিবাসীদের পুনঃএকত্রীকরণে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। কমিটি নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ সংক্রান্ত সরকারি-বেসরকারি কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয়, প্রবাসীদের সমস্যা সমাধান, সচেতনতা বৃদ্ধি ও পুনর্বাসনে ভূমিকা জোরদার করবে।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মোহাম্মদ গোলাম মাসুম প্রধান বলেন আমার দেশের ভাই-বোনকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে তৈরী করে বিদেশে পাঠালে প্রতারিত হবে না এবং প্রচুর রেমিটেন্স উপার্জন করতে পারবে।
সমন্বয় কমিটির সভায় বক্তারা বলেন বর্তমান সরকার প্রবাসীদের কল্যাণে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে, যা অতীতে দেখা যায়নি। প্রবাসীদের জন্য বিশেষ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যাতে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে। নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতকরণ এবং অভিবাসন-সংশ্লিষ্ট সেবা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে ময়মনসিংহে ডিএমসিসির কার্যক্রম শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
আলোচনায় বক্তারা আরো বলেন, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে শুধু জনসচেতনতা বৃদ্ধি নয়, বরং জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সমন্বয় গড়ে তোলা প্রয়োজন। পাশাপাশি বিদেশ ফেরত অভিবাসীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পুনঃএকত্রীকরণ, রেমিট্যান্সের সঠিক ব্যবহার এবং অভিবাসন-সংক্রান্ত তথ্য ও সেবা জনগণের কাছে সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। অভিবাসন বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ অভিবাসনের তথ্য প্রচার, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং বিদেশ ফেরত অভিবাসীদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।






-400x300.jpg&w=3840&q=75)
