ময়মনসিংহের মশাখালী রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর যমুনা এক্সপ্রেসের স্থায়ী যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধের আড়াই ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৯টা ৫০ মিনিট দিকে স্টপেজে দাবিতে আন্দোলনকারীরা রেললাইন থেকে সরে গেলে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এর আগে সকাল ৭টা ২০ মিনিটের দিকে জামালপুর থেকে ঢাকাগামী যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি মশাখালী এলাকায় পৌঁছালে আন্দোলনকারীরা রেললাইনে লাল কাপড় টাঙিয়ে দেন। এতে ট্রেন আটকে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা।

ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ট্রেন আটকে থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন হাজার হাজার যাত্রীরা। আন্দোলনের কারণে ট্রেনকে জিম্মি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন যাত্রীরা।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে রেললাইন থেকে সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে মশাখালী রেল স্টেশনে আটকে থাকা আন্তঃনগর যমুনা এক্সপ্রেস সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ওসি মো. আকতার হোসেন জানান, মশাখালী রেল স্টেশনে যমুনা এক্সপ্রেসের স্থায়ী যাত্রাবিরতি নিয়ে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিবেন। তিনি বলেন, বর্তমানে ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
আন্দোলনকারীদের একজন স্থানীয় বাসিন্দা তোজাম্মেল হোসেন মুক্তার দাবি, নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার হাজারো মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে মশাখালী রেলওয়ে স্টেশনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কোনো আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় এ অঞ্চলের মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তাই গুরুত্বপূর্ণ এ স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের স্থায়ী যাত্রাবিরতির দাবিতে ১৪ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা শিক্ষক মাওলানা এমদাদুল হক জানান, মশাখালী রেল স্টেশনে আন্তঃনগর যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনের স্থায়ী যাত্রাবিরতির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত ও ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত তাদের অবস্থান ও আন্দোলন কর্মসূচি চলবে।







