তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি বলেছেন, দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘নৈরাজ্যকারী শেখ হাসিনা আবারও দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ডিসেম্বরে দেশে আসার পাঁয়তারা করছেন। আমরা বলতে চাই, ডিসেম্বরে না এসে এখনই আসুন। সাবধান হয়ে যান, দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবেন না। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
আজ শনিবার দুপুরে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল চৌরাস্তা চত্বরে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার প্রতিবাদে’ নান্দাইল উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর স্বৈরাচার সরকার জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করেছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখে তাদের ক্ষমতায় এনেছে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করে হুমকি দিয়ে দেশের উন্নয়নের ধারা বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান দমিয়ে রাখা যায়নি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে গত ১৭ বছরের শাসনামলে নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন, খুন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। মা-বোনদের সন্তানদের গুলি করে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
সমাবেশে নান্দাইল উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান লিটন, সদস্য সচিব এনামুল কাদির, যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু পল্লব রায়, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম ফকির, সদস্য সচিব রফিকুজ্জামান ভূঁইয়া মনি, পৌর বিএনপি নেতা হাসনাত মাহমুদ তালহাসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপির নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।







