ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৫ বছর বয়সী শিশুকন্যা নিছামনিকে গণধর্ষণের পর নদীতে ফেলে হত্যা মামলার আসামী সায়েম ও মারুফকে আদালতে তোলা হয়েছে| বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কড়া নিরাপত্তায় তাদের আদালতে আনা হয়| এনিয়ে এই নৃশংস ঘটনার সাথে জড়িত চারজনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ|
পুলিশ জানায়, গতকাল ধোবাউড়া থেকে গ্রেফতারকৃত দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদে নিছামনি ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় তাদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে| এরআগে গতকাল অপর দুই আসামী আরিফ ও রাকিব আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে| পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়|
রোবাবার (১৪ জুন) বিকেলে ময়মনসিংহের ধোবাউড়ার টাংঙ্গাটি গ্রামের তাজু মিয়ার ৫ বছরের শিশুকন্যা নিছামনি নিখোঁজ হয়| পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি| পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয়রা কংস নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখতে পান| খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি নিশামনির বলে শনাক্ত করেন|
স্বজনদের ভাষ্য, মরদেহ উদ্ধারের পর রাতে দাফনের জন্যে গোসল করানোর সময় তারা শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান| বিশেষ করে গলা ও বুকে কামড়ের দাগ এবং শরীর থেকে রক্তক্ষরণের আলামত দেখতে পায়| এতে স্থানীয়দের সন্দেহ হয় যে শিশুটিকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে| পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়|
খবর পেয়ে ধোবাউড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে| পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়| এ নৃশংস ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে| ঘটনার সাথে জড়িতেদের দ্রুত দৃষ্টান্তর্মলকজ শাস্তি দাবি করেছে এলাকাবাসী|

-Rapist%2520Arrest-1200x779.jpg&w=3840&q=75)


