জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে এক ভারতীয় নাগরিককে জোরপূর্বক পুশইনকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই উত্তেজনা বিজিবি-বিএসএফ ছাড়াও ছড়িয়ে পড়েছে দুই দেশের জনগণের মধ্যেও।
বুধবার (১০ জুন) বিকালে দুই দেশের জনগণের মধ্যে ধাওয়া পালটাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে বাংলাদেশিদের ধাওয়ায় পালিয়ে যায় ভারতীয়রা।

জানা গেছে, বুধবার সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছে এক ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হলেও শূন্যরেখায় ফেলে রেখে যায় বিএসএফ সদস্যরা। শূন্যরেখা থেকে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা প্রদান করেন। পরে আবার শূন্যরেখায় চলে যায় ৬০ বছরের ওই ব্যক্তি।
এ নিয়ে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হলেও কোনো পক্ষই ওই ব্যক্তিকে নিতে রাজি হননি। এরপর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বিকালে কাঁটাতারের বেড়া ভেদ করে ধাওয়া পালটাধাওয়া শুরু হয় দুই দেশের জনগণের মধ্যে। একপর্যায়ে ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় ভারতীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, ভারতের বিএসএফ প্রতিনিয়ত পুশইনের চেষ্টা করছে। আমরা বিজিবিকে সহযোগিতা করতে গেলেই তারা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। বিকালে ভারতের কয়েকজন যুবক বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়লে বাংলাদেশীরাও পালটা ঢিল ছুড়েন। তাদের প্রতিরোধের মুখে ভারতীয়রা পালাতে বাধ্য হয়।
জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, সীমান্তে শূন্যরেখা অতিক্রম না করতে প্রত্যেকটি নাগরিককে অনুরোধ করছি। এ সময় তিনি বিজিবিকে সহযোগিতা করতে স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানান।





