তথ্যগত শর্ত পূরণ হলেই দলমত ও ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সমাজের সকল পর্যায়ের মানুষ ফ্যামেলি কার্ড পাবে, বলে জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রশাসক মো: রুকুনোজ্জামান রোকন। তিনি বলেন, সারাদেশের ন্যায় ময়মনসিংহ নগরীর ১৮, ১৯ এবং ৩১ নং ওয়ার্ডেও ফ্যামেলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। এক্ষেত্রে এই কার্ড পাওয়ার জন্য কারো সুপারিশ লাগবে না। তবে তথ্যগত শর্ত পূরণ হলেই মিলবে ফ্যামেলি কার্ড।

আজ সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের শহীদ শাহাব উদ্দিন মিলনায়তনে ফ্যামেলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের প্রস্তুতি বিষয়ক প্রেস কনফারেন্সে মসিক প্রশাসক এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, সিটি করপোরেশন এলাকার ১৮, ১৯ এবং ৩১ নং ওয়ার্ডে সুপারভাইজারসহ ২০ জন তথ্য সংগ্রহকারীর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে বেসরকারিভাবে গঠন করা হয়েছে ৬ সদস্যের একটি টিম। তারা ২ জনকে বিভক্ত হয়ে ৩টি ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহ কাজ মনিটরিং করবে। এক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহকারীরা নির্দ্দিষ্ট ফরমে তখ্য সংগ্রহ করে অনলাইনে সংশ্লিষ্ট এ্যাপসে দাখিল করবে। তবে কোন ওয়ার্ডে কে, বা কতজন ফ্যামেলি কার্ড পাবে এর কোন নির্দ্দিষ্ট সংখ্যা নেই। কার্ড পেতে হলে প্রয়োজনীয় শর্ত মানতে হবে। মূলত এই কার্যক্রমের প্রথম ধাপে কিছু শর্ত পূরণ কবরতে হবে, তবে পরবর্তী ধাপগুলো পর্যায়ক্রমে সবাই ফ্যামেলি কার্ড পাবে।

ফ্যামেলি কার্ড নিয়ে কেউ কোন অনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে জানিয়ে মসিক প্রশাসক বলেন, ইতিমধ্যে তথ্য সংগ্রহকারীরা মন্ত্রনালয়ের অধিনে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। তারা প্রথম ধাপে নগরীর ১৮, ১৯ এবং ৩১ নং ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহ করবে। এজন্য তথ্য সংগ্রহকারীদের সহযোগিতা করার আহবান জানান প্রশাসক।
জেলা সমাজসেবার উপপরিচালক মো: রাজু আহম্মেদ জানান, নগরীর ১৮, ১৯ এবং ৩১ নং ওয়ার্ডে প্রায় ২০ হাজার ২৪৪টি পরিবার রয়েছে। ফ্যামেলি কার্ডের জন্য এসব পরিবার থেকে আপাদত ১৭ জন তথ্য সংগ্রহকারী তথ্য সংগ্রহ করবে। পরে পর্যায়ক্রমে সরকারি ট্যাব বরাদ্দের প্রেক্ষিতে তথ্য সংগ্রহকারী আরও বাড়ানো হবে।

প্রেস কনফারেন্সে আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবার বিভাগীয় পরিচালক শামসছুন্নাহার, মসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুমনা আল মজীদ, প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা এএইচএম আরিফুল ইসলামসহ জেলা ও সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ।
পরে তথ্য সংগ্রহকারীদের মাঝে সরকারি বরাদ্দকৃত ট্যাব বিতরণ করা হয়।








