ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স আজ (বৃহস্পতিবার) মুক্তাগাছায় সরকারী সফরকালে সরকারী ও রাজনৈতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।

দিনব্যাপী সফরকালে ময়মনসিংহ-৫ মুক্তাগাছা আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলুকে সাথে নিয়ে জেলা পরিষদ প্রশাসক মুক্তাগাছায় প্রতিষ্ঠানভিত্তিক জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থের প্রথম কিস্তির চেক হস্তান্তর, প্রকল্প কমিটির সঙ্গে মতবিনিময়, উপজেলা ও পৌর শহরে জেলা পরিষদের বাস্তবায়িত ও বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন, ডেঙ্গু ও হাম-রুবেলা রোগ সম্পর্কে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়, জেলা পরিষদের ডাক বাংলো ও মিলনায়তন পরিদর্শন করেন।
এসময় ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাশ, মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুস সালেহীন, মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বিকেলে তিনি উপজেলা ও পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
.jpeg)
১৮টি প্রকল্পের ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ
মুক্তাগাছায় জেলা পরিষদের অর্থায়নে ১৮টি প্রকল্পের ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে। মুক্তাগাছা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা ও পৌর শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প কমিটির কাছে বরাদ্দকৃত অর্থের চেক বিতরণ করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু। বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাশ, মুক্তাগাছা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুস সালেহীন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, জনগণের টাকায় জনগণের কল্যাণ—এই নীতিকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের কার্যক্রমকে আরও জনমুখী ও জবাবদিহিমূলক করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা পরিষদের সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি। জেলা পরিষদের বরাদ্দের সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “জেলা পরিষদের অর্থ জনগণের অর্থ। এই অর্থের সর্বোচ্চ স্বচ্ছ, সঠিক ও জনকল্যাণমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে জনগণের প্রয়োজন ও অগ্রাধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।”
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু মুক্তাগাছার উন্নয়নে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অগ্রাধিকার প্রদানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে মুক্তাগাছা উপজেলাকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করা হবে।’ তিনি ময়মনসিংহ জেলা পরিষদকে উপজেলা পর্যায়ে এসে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুদান প্রদান করায় ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এ উদ্যোগ নজিরবিহীন। জনকল্যাণে জনগণের টাকা কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে, এ ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণ জানতে পারবে।

বৃক্ষ রোপন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, পরামর্শ পত্র বিতরণ
মুক্তাগাছা সফরকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ও সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু আজ জেলা পরিষদের ডাক বাংলো, মিলনায়তন প্রাঙ্গণে বৃক্ষ রোপন করে মুক্তাগাছায় জেলা পরিষদের বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী সফল করতে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ জেলার ১৪ টি উপজেলায় বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। এ ছাড়াও তিনি ডেঙ্গু জ্বর বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য মুক্তাগাছা পৌর শহরে পরামর্শ পত্র বিতরণ ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন।
সরকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ও সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু আজ দুপুরে মুক্তাগাছা উপজেলায় কর্মরত সরকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এসময় তারা মুক্তাগাছার উন্নয়ন, সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন। মত বিনিময় সভায় মুক্তাগাছার ইউএনও কৃষ্ণ চন্দ্র উপজেলার সার্বিক কার্যক্রম জেলা পরিষদ প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে অবহিত করেন।
.jpeg)
জেলা পরিষদের অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্প ও জেলা পরিষদের স্থাপনা পরিদর্শন
ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালে প্রিন্স এবং সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু আজ মুক্তাগাছা জেলা পরিষদের বাস্তবায়িত একটি মসজিদ ও একটি সংযোগ সড়ক পরিদর্শন করেন। এছাড়াও মুক্তাগাছায় জেলা পরিষদের ডাক বাংলো ও মিলনায়তন পরিদর্শন এবং এসব স্থাপনার উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে নির্দেশনা প্রদান করেন।


-1-1200x900.jpg&w=3840&q=75)
-400x300.jpg&w=3840&q=75)



