বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও ময়মনসিংহ-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেছেন, সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একযোগে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।
বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম হলরুমে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি ওয়াহাব আরও বলেন, ১৯৫২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সব ন্যায্য গণআন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ কখনো ভোলার নয়, আমরা তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
পাশাপাশি এদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মত্যাগকারী শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রশাসন ভবন সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি বিজয় র্যালি বের হয়ে ক্যাম্পাসের বেশ কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
র্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালরেয়র ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান মুক্তিকামী জনগণের আত্মত্যাগ, সাহস ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে উন্নত, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের স্মরণে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে জুলাই যোদ্ধা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।







