রবিবার (৫ জুন) নগরীতে রাজিব আহমেদ রুবেল ও ওরফে কাইল্যা রুবেল (৪০) হত্যার ঘটনায় জড়িত ৪ ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টেগেশন (পিবিআই)| হত্যার পর রবিবার রাতেই পিবিআই অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে| গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, নগরীর রামকৃষ্ণ রোড ছত্রিশ বাড়ী এলাকায় নিহত রুবেলের বাড়ির মালিক পারুল আক্তারের ছেলে রহমত (৩০), জনি (২৮), রকি (২৬) ও ইমরাজ (১৮)| এই পারুলের বাড়িতেই রুবেলকে জবাই করে হত্যা করা হয়|
পিবিআই জানান, পুর্ব শত্রুতার বিরোধে ছেলে জনির সামনে মা পারুলকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করে রুবেল| এতে পারুলের ৪ ছেলে ক্ষিপ্ত হয়ে খুনের ঘটনা ঘটায়| সোমবার বিকেলে জরুরি প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানায়, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টেগেশন (পিবিআই) ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান|
পিবিআই পুলিশ সুপার বলেন, এলাকায় রুবেল কাইল্যা রুবেল নামে পরিচিত| বখাটে রুবেল মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ি| মাদক মামলায় রুবেলের নামে থানায় মামলা রয়েছে| মাসখানেক আগে রুবেল পারুলের বাসা ভাড়া নিয়ে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে আড্ডা ও নানা রকম অসামাজিক কাজ করতো| এতে পারুল রুবেলকে বাসা ছেড়ে দিতে বললে রুবেল ক্ষিপ্ত হয়| রবিবার (৫ জুলাই) সকালে রুবেল ঘুম থেকে পারুলদের বাসায় গিয়ে পারুলকে গালাগালি ও শ্লীলতাহানি করে নিজ ঘরে ফিরে আসে| এ সময় পারুলের ছেলে জনি ঘরে ছিল| জনি এ ঘটনা অন্য ভাইদের বললে সবাই ক্ষিপ্ত হয়ে সকাল ১০টার দিকে খুনের ঘটনায়| গ্রেপ্তারের পর আসামীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খুনের ঘটনা স্বীকার করেছে| পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের ঘটনার প্রমান মেলেনি| পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেষে চিকিৎসকরা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলতে পারবেন |
রবিবার (৫ জুন) সকালে নগরীর রাম কৃষ্ণ মিশন রোড, ছত্রিশ বাড়ী এলাকায় ভারাটে বাসার নিজ ঘরে জবাই করে হত্যা করা হয় রুবেলকে| নিহত রাজিব আহমেদ রুবেল নগরীর আর কে মিশন রোড ছত্রিশবাড়ি এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে|





